ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব Logo হত্যা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আসম ফিরোজকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট Logo নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক রেলমন্ত্রী Logo অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলা মাইলোকেই ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র Logo আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না: রাষ্ট্রপতি Logo নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৫০, নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২২, মামলা ২৫ Logo সংসদের সামনে ছিনতাইকারীর ব্যাগ টানে শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ Logo সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ায় ২ লাখ শ্রমিক পাঠানো কার্যক্রম শুরু Logo চুক্তি নিয়ে বিরোধে সালিশের সুযোগ থাকলে রিট চলবে না

অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলা মাইলোকেই ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

ব্রিটিশ ডানপন্থি বিতর্কিত ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাইলো ইয়ান্নোপুলোস। ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ ডানপন্থি বিতর্কিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাইলো ইয়ান্নোপুলোসকে যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ আইসিই (আইসিই)। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার নিউ অরলিন্সে তাকে আটক করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, দেশটিতে থাকার অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। তার বিরুদ্ধে আগেই দেশ ছাড়ার আদেশও দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের এক মুখপাত্র জানান, শুক্রবার মাইলোর যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

৪১ বছর বয়সী মাইলো ২০১৯ সালের মে মাসে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। তবে পরে তার থাকার অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। গত ২২ জুলাই এক অভিবাসন বিচারক তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত আদেশ দেন। শুনানিতে উপস্থিত না হওয়ায় এই আদেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

মাইলো নিজেই দীর্ঘদিন ধরে কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলে আসছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে থাকার প্রমাণ দেখাতে না পারলে অভিবাসীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর পক্ষে তিনি প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন।

 

মাইলো একসময় রক্ষণশীল মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্রেইটবার্ট নিউজের সম্পাদক ছিলেন। ২০১৭ সালে কিশোরদের নিয়ে তার বিতর্কিত মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর তিনি প্রতিষ্ঠানটি ছাড়েন। একই বছর তাকে রক্ষণশীল রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান সিপিএসির সম্মেলনেও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে ২০১৬ সালে বর্ণবাদী ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্যের কারণে টুইটার থেকে নিষিদ্ধ হন মাইলো। পরে ২০২২ সালে ইলন মাস্কের মালিকানায় প্ল্যাটফর্মটির নাম এক্স হওয়ার পর তার অ্যাকাউন্ট আবার চালু করা হয়।

অভিবাসন নিয়ে মাইলোর অবস্থানও দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত। গত বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় অভিবাসন তল্লাশি চালানোর কথা বলেন। বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার প্রমাণ দেখাতে না পারলে ঘটনাস্থলেই তাদের ফেরত পাঠানোর পক্ষেও মত দেন তিনি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জনপ্রিয়

অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলা মাইলোকেই ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেটের সময়: ০৩:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

ব্রিটিশ ডানপন্থি বিতর্কিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাইলো ইয়ান্নোপুলোসকে যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ আইসিই (আইসিই)। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার নিউ অরলিন্সে তাকে আটক করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, দেশটিতে থাকার অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। তার বিরুদ্ধে আগেই দেশ ছাড়ার আদেশও দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের এক মুখপাত্র জানান, শুক্রবার মাইলোর যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

৪১ বছর বয়সী মাইলো ২০১৯ সালের মে মাসে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। তবে পরে তার থাকার অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। গত ২২ জুলাই এক অভিবাসন বিচারক তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত আদেশ দেন। শুনানিতে উপস্থিত না হওয়ায় এই আদেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

মাইলো নিজেই দীর্ঘদিন ধরে কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলে আসছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে থাকার প্রমাণ দেখাতে না পারলে অভিবাসীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর পক্ষে তিনি প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন।

 

মাইলো একসময় রক্ষণশীল মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্রেইটবার্ট নিউজের সম্পাদক ছিলেন। ২০১৭ সালে কিশোরদের নিয়ে তার বিতর্কিত মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর তিনি প্রতিষ্ঠানটি ছাড়েন। একই বছর তাকে রক্ষণশীল রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান সিপিএসির সম্মেলনেও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে ২০১৬ সালে বর্ণবাদী ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্যের কারণে টুইটার থেকে নিষিদ্ধ হন মাইলো। পরে ২০২২ সালে ইলন মাস্কের মালিকানায় প্ল্যাটফর্মটির নাম এক্স হওয়ার পর তার অ্যাকাউন্ট আবার চালু করা হয়।

অভিবাসন নিয়ে মাইলোর অবস্থানও দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত। গত বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় অভিবাসন তল্লাশি চালানোর কথা বলেন। বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার প্রমাণ দেখাতে না পারলে ঘটনাস্থলেই তাদের ফেরত পাঠানোর পক্ষেও মত দেন তিনি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান