ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব Logo হত্যা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আসম ফিরোজকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট Logo নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক রেলমন্ত্রী Logo অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলা মাইলোকেই ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র Logo আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না: রাষ্ট্রপতি Logo নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৫০, নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২২, মামলা ২৫ Logo সংসদের সামনে ছিনতাইকারীর ব্যাগ টানে শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ Logo সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ায় ২ লাখ শ্রমিক পাঠানো কার্যক্রম শুরু Logo চুক্তি নিয়ে বিরোধে সালিশের সুযোগ থাকলে রিট চলবে না

আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি

বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমার আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জন জেলেকে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর মধ্যে বাংলাদেশি-১৮ ও এফডিএমএন সদস্য-৬ জন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে কক্সবাজার টেকনাফ জেটিঘাট থেকে নাফ নদী হয়ে তাদেরকে ফেরত দেওয়া হয়।

বিজিবি জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় এবং মানবিক তৎপরতার অংশ হিসেবে মিয়ানমার থেকে আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জন (বাংলাদেশি ১৮ ও এফডিএমএন সদস্য ৬) জেলেকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়েছে। ২০২৫ সাল হতে ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের জন্য যাওয়া বেশকিছু বাংলাদেশি জেলে অনিচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করলে তাদেরকে মিয়ানমারের আরাকান আর্মি আটক করে নিয়ে যায়। পরে আটক জেলেদের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নিয়ন্ত্রিত স্থানে অথবা জেলখানায় সাজা দিয়ে আটক অবস্থায় রাখা হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মানবিক বিবেচনাকে অগ্রাধিকার প্রদান করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের উদ্যোগের ফলে আটক জেলেদের ধাপে ধাপে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তাদের হস্তান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এ প্রেক্ষিতে বুধবার বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল নাফ নদীর শূন্যলাইনে আরাকান আর্মির নিকট হতে মোট ২৪ জন (বাংলাদেশি ১৮ ও এফডিএমএন-৬) জেলেকে গ্রহণ করে টেকনাফ জেটিঘাটে ফেরত নিয়ে আসে।

ইতোমধ্যে স্থানীয় উপজেলা প্রতিনিধি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে দেশে ফিরিয়ে আনা জেলেদের তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ সফল উদ্যোগের ফলে আটক জেলেদের পরিবার-পরিজনের মাঝে স্বস্তি ও আশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আটক জেলেদের প্রত্যাবর্তন একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আটক থাকা বাকি জেলেদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবির) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিজিবি সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। মানবিক সংকট মোকাবেলায় বিজিবির পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

জনপ্রিয়

আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি

আপডেটের সময়: ০৬:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমার আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জন জেলেকে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর মধ্যে বাংলাদেশি-১৮ ও এফডিএমএন সদস্য-৬ জন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে কক্সবাজার টেকনাফ জেটিঘাট থেকে নাফ নদী হয়ে তাদেরকে ফেরত দেওয়া হয়।

বিজিবি জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় এবং মানবিক তৎপরতার অংশ হিসেবে মিয়ানমার থেকে আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জন (বাংলাদেশি ১৮ ও এফডিএমএন সদস্য ৬) জেলেকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়েছে। ২০২৫ সাল হতে ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের জন্য যাওয়া বেশকিছু বাংলাদেশি জেলে অনিচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করলে তাদেরকে মিয়ানমারের আরাকান আর্মি আটক করে নিয়ে যায়। পরে আটক জেলেদের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নিয়ন্ত্রিত স্থানে অথবা জেলখানায় সাজা দিয়ে আটক অবস্থায় রাখা হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মানবিক বিবেচনাকে অগ্রাধিকার প্রদান করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের উদ্যোগের ফলে আটক জেলেদের ধাপে ধাপে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তাদের হস্তান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এ প্রেক্ষিতে বুধবার বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল নাফ নদীর শূন্যলাইনে আরাকান আর্মির নিকট হতে মোট ২৪ জন (বাংলাদেশি ১৮ ও এফডিএমএন-৬) জেলেকে গ্রহণ করে টেকনাফ জেটিঘাটে ফেরত নিয়ে আসে।

ইতোমধ্যে স্থানীয় উপজেলা প্রতিনিধি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে দেশে ফিরিয়ে আনা জেলেদের তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ সফল উদ্যোগের ফলে আটক জেলেদের পরিবার-পরিজনের মাঝে স্বস্তি ও আশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আটক জেলেদের প্রত্যাবর্তন একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আটক থাকা বাকি জেলেদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবির) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিজিবি সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। মানবিক সংকট মোকাবেলায় বিজিবির পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।