ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব Logo হত্যা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আসম ফিরোজকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট Logo নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক রেলমন্ত্রী Logo অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলা মাইলোকেই ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র Logo আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না: রাষ্ট্রপতি Logo নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৫০, নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২২, মামলা ২৫ Logo সংসদের সামনে ছিনতাইকারীর ব্যাগ টানে শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ Logo সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ায় ২ লাখ শ্রমিক পাঠানো কার্যক্রম শুরু Logo চুক্তি নিয়ে বিরোধে সালিশের সুযোগ থাকলে রিট চলবে না

লঞ্চের দেড় মাস আগেই আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের তথ্য ফাঁস

অ্যাপলের নতুন আইফোন নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে এখনো কিছুটা সময় বাকি থাকলেও, বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বিশ্লেষক, লিকার এবং সাম্প্রতিক ফাঁস হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স সম্পর্কে এরই মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। সব তথ্য যদিও এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সম্ভাব্য ফিচারগুলো প্রযুক্তিপ্রেমীদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপল সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উন্মোচন করতে পারে। একই অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোনও আসতে পারে বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ই বাজারে আসতে পারে ২০২৭ সালের বসন্তে। ফলে এবার অ্যাপল তাদের প্রচলিত লঞ্চ কৌশল থেকে কিছুটা সরে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডিজাইনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। বিভিন্ন সূত্র বলছে, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স-এর বাহ্যিক নকশা অনেকটাই আগের প্রজন্মের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। ফলে নতুন ডিজাইনের বদলে অ্যাপল এবার অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার উন্নয়নের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে প্রসেসরে। ফোনটিতে নতুন এ২০ প্রো চিপ ব্যবহার করা হতে পারে, যা অ্যাপলের প্রথম ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির চিপ হিসেবে আসতে পারে। এই চিপে উন্নত প্যাকেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পারফরম্যান্স বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণও আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্যামেরাতেও বড় আপগ্রেডের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রধান ক্যামেরায় ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি যোগ হতে পারে, যার মাধ্যমে আলো প্রবেশের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এতে কম আলোতে ছবি তোলার মান উন্নত হবে এবং ব্যবহারকারীরা ডেপ্ত অব ফিল্ড-এর ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ পাবেন।

ব্যাটারির ক্ষেত্রেও উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন চিপের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নকশার কারণে বড় ব্যাটারি ব্যবহার করেও দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে প্রো ম্যাক্স সংস্করণে আগের তুলনায় বেশি ক্ষমতার ব্যাটারি দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সম্ভাব্য দাম নিয়ে। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্রের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম আগের মডেলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। যদি সেই তথ্য সত্যি হয়, তাহলে এটি অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি নন-ফোল্ডেবল আইফোনে পরিণত হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে বাহ্যিকভাবে বড় পরিবর্তন না এলেও নতুন চিপ, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির মতো আপগ্রেড ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে। তবে প্রকৃত চিত্র জানা যাবে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের পরই। তাই এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সব তথ্যকেই সম্ভাব্য তথ্য হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

লঞ্চের দেড় মাস আগেই আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের তথ্য ফাঁস

আপডেটের সময়: ১১:৫৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

অ্যাপলের নতুন আইফোন নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে এখনো কিছুটা সময় বাকি থাকলেও, বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বিশ্লেষক, লিকার এবং সাম্প্রতিক ফাঁস হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স সম্পর্কে এরই মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। সব তথ্য যদিও এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সম্ভাব্য ফিচারগুলো প্রযুক্তিপ্রেমীদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপল সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উন্মোচন করতে পারে। একই অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোনও আসতে পারে বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ই বাজারে আসতে পারে ২০২৭ সালের বসন্তে। ফলে এবার অ্যাপল তাদের প্রচলিত লঞ্চ কৌশল থেকে কিছুটা সরে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডিজাইনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। বিভিন্ন সূত্র বলছে, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স-এর বাহ্যিক নকশা অনেকটাই আগের প্রজন্মের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। ফলে নতুন ডিজাইনের বদলে অ্যাপল এবার অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার উন্নয়নের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে প্রসেসরে। ফোনটিতে নতুন এ২০ প্রো চিপ ব্যবহার করা হতে পারে, যা অ্যাপলের প্রথম ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির চিপ হিসেবে আসতে পারে। এই চিপে উন্নত প্যাকেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পারফরম্যান্স বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণও আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্যামেরাতেও বড় আপগ্রেডের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রধান ক্যামেরায় ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি যোগ হতে পারে, যার মাধ্যমে আলো প্রবেশের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এতে কম আলোতে ছবি তোলার মান উন্নত হবে এবং ব্যবহারকারীরা ডেপ্ত অব ফিল্ড-এর ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ পাবেন।

ব্যাটারির ক্ষেত্রেও উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন চিপের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নকশার কারণে বড় ব্যাটারি ব্যবহার করেও দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে প্রো ম্যাক্স সংস্করণে আগের তুলনায় বেশি ক্ষমতার ব্যাটারি দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সম্ভাব্য দাম নিয়ে। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্রের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম আগের মডেলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। যদি সেই তথ্য সত্যি হয়, তাহলে এটি অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি নন-ফোল্ডেবল আইফোনে পরিণত হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে বাহ্যিকভাবে বড় পরিবর্তন না এলেও নতুন চিপ, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির মতো আপগ্রেড ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে। তবে প্রকৃত চিত্র জানা যাবে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের পরই। তাই এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সব তথ্যকেই সম্ভাব্য তথ্য হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।